বাংলায় পাঁচ বিখ্যাত শিশুতোষ সিনেমা

jjjjj.jpg

বিনোদন ডেস্ক:নাটক-সিনেমা আর গানে ঈদে হরেক আয়োজন থাকে। তবে সেসব চাকচিক্যের ভিড়ে শিশুদের জন্য খুব কমেই ভাবা হয়। সেই ভাবনায় নতুন পাল তুললো দুরন্ত টিভি। এই ঈদে চ্যানেলটি বিশ্বখ্যাত ৫টি সিনেমার বাংলা প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে। যা ঈদের পাঁচদিন প্রচার হবে রোজ বিকাল ৩টা থেকে। ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-
মিনোস
মিনোস নামের এক বিড়াল কিছু রাসায়নিক তরল পান করার পর হঠাৎ তরুণীতে রূপান্তরিত হয়। এরপর টিব্বে নামের এক রিপোর্টারের সাথে তার পরিচয় হয়। সে তার সহকারী হিসেবে নানা তথ্য দিয়ে সাহায্য করে। তথ্যগুলো সংগ্রহ করে টিব্বে তার সংবাদপত্রের জন্য আকর্ষণীয় কিছু খবর খুঁজে পায়। তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হলে মিনোস মানুষই থেকে যায়। বিড়াল থেকে মানুষ হওয়ার মজার গল্প নিয়ে দুরন্ত টিভির ভাষান্তরিত সিনেমা ‘মিনোস’। দেখা যাবে ঈদের ১ম দিন।
ঈপ
ঈপ মানব শিশুর মতো দেখতে ছোট্ট পাখি। একজন পাখি প্রেমিক তাকে একটি বড় গাছের নিচে খুঁজে পায়। সে পাখির ছানাটাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। পাখিপ্রেমী ও তার স্ত্রী ঈপকে লালন-পালন করতে থাকে। ঈপ একটু একটু করে উড়তে শেখে। একদিন ঈপ আকাশে পাখিদের দলকে উড়তে দেখে সেও উড়ে যায়। ঈপের মা-বাবা ওকে অনেক খুঁজতে থাকে। এক সময় ঈপকে তারা খুঁজে পায়। কিন্তু ঈপ আর আগের মতো ওদের সাথে থাকতে চায় না। ঈপের বাবা-মা সিদ্ধান্ত নেয় তারা তাকে ছেড়ে দেবে। ঈপ আকাশে উড়ে যায়। সিনেমাটি দেখা যাবে ঈদের ২য় দিন।
মাই ভেরি ওন সার্কাস
লরার বাবা একজন পেশাদার ক্লাউন। লরা ওর বাবার সাথে ভ্রমমাণ গাড়ি করে এখানে ওখানে ঘুরে সার্কাস দেখায়। লরা লেখা-পড়া করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়। বাবার হাসি-তামাশার জীবনে অভাব অনটন এবং আত্মপরিচয়হীনতা থেকে লরা মুক্তি চায়। সরকারি স্কুলে পড়ার সময় শিক্ষিকা প্যাট্রেসিয়া লরাকে সহযোগিতা করে। নানা প্রতিকূলতা, হাসি-কান্না আর যাযাবর জীবন থেকে নিজের স্বপ্ন সত্যি করার গল্প তুলে ধরা হয়েছে ‘মাই ভেরি ওন সার্কাস’ সিনেমাটিতে। সিনেমাটি প্রচার হবে ঈদের ৩য় দিন।
ল্যাবিরিনথাস
১৪ বছর বয়সের এক কিশোর ফ্রিকি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একটা ব্যাগ খুঁজে পায়। ব্যাগের ভেতরে সে খুঁজে পায় একটা ক্যামেরা আর একটা ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ। বাড়িতে ফিরে সেটা কম্পিউটারে নিয়ে বুঝতে পারে সে এতে আছে একটা ভিডিও গেম। ফ্রিকি গেমটি খেলে আর বুঝতে পারে এটা কোনও সাধারণ ভিডিও গেম না। আর সবচেয়ে অদ্ভুত হলো এর ক্যামেরা, যেটা দিয়ে তোলা ছবি ভিডিও গেমের চরিত্র হয়ে যায়, আর বাস্তব জীবনে চলে যায় কোমায়। ফ্রিকির বন্ধুরাও একসময় আটকে যায় এই গেমের ভেতরে। বন্ধুদের মুক্ত করতে ফ্রিকি শুরু করে এক দারুণ অভিযান। ছবিটির বাংলা প্রিমিয়ার দেখা যাবে ঈদের ৪র্থ দিন।
ইনভিজিবল স্যু
স্যু একজন নিঃসঙ্গ কিশোরী। তার মা একজন গবেষক যিনি তার সমস্ত সময় ল্যাবে কাজ করেন। যখন স্যু এবং তার বাবা তাকে তার জন্মদিনে কর্মক্ষেত্রে চমকে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন ল্যাবে ঘটনাক্রমে স্যু একটি গোপন রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসে যা তার মা তৈরি করছে এবং সে তার দ্বারা অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করে। এরপর যখন তার মাকে অপহরণ করা হয়, তখন তার মাকে উদ্ধার করতে এবং অপরাধীদের খুঁজে বের করতে স্যু তার নতুন বন্ধু টোবি এবং অ্যাপের সাহায্য নেয়। শেষে স্যু তার মাকে উদ্ধার করে। ছবিটির বাংলা প্রিমিয়ার দেখা যাবে ঈদের ৫ম দিন।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top
error: Content is protected !!