খুকৃ‌বিসহ দে‌শের চার উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি

IMG_20220204_101207.jpg

প্রতি‌দিন ডেস্ক: খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ চারটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়মসহ নানা অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এরই মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।

বেশ কিছু‌দিন ধ‌রে্দই দেশের বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রুস্তম আলীর বিরুদ্ধে একাধিক গাড়ি ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে বিশ্ববিবদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।
আত্মীয়স্বজনকে চাকরি দেয়া এবং উপাচার্যের ছেলের বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি ব্যবহারেরও প্রমাণ মিলেছে। তবে উপাচার্য অধ্যাপক রুস্তম আলী বলছেন, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধেও অবৈধভাবে শিক্ষক কর্মককর্তা নিয়োগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুর রহমান খানের বিরুদ্ধে নিয়োগে স্বজনপ্রীতির প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি। এছাড়াও সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোর্মেদ চৌধুরী শূন্যপদের চেয়ে বেশি শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছেন।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, উপাচার্যদের অনিয়ম দুঃখজনক। উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ এই তিনটি পদ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগ্যদের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ না দেয়ায় এই অবস্থা।

উপাচার্য পদটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী পদ। তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হওয়ায় সব ক্ষমতা ভোগ করেন তিনি। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, এলাকাপ্রীতি করার অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অভ্যন্তরীণ আর্থিক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েন। এসব অভিযোগ প্রমাণ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। অনিয়মের তদন্ত হয় প্রমাণও মিলে কিন্তু ব্যবস্থা নেয়া হয় না। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম কমছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে সকল কার্যক্রম স্বচ্ছ করতে হবে।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top