ভোলায় বসতঘর ভাংচুর, লুটপাট ও অবশেষে উচ্ছেদে; উল্টো মামলা

307835325_1169192437275157_8672479804701269729_n.jpg

বরিশাল প্রতিনিধি
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এবার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতনমহল উদ্দ্যেগ উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন।

পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জনৈক ইলিয়াছের নিকট চাঁদা দাবী করে একই এলাকার মোঃ মোস্তফা বারির ছেলে মোঃ ফয়জুল্লাহ, তার শ্যালক মোঃ হারুন গোলদার। ইলিয়াছ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফয়জুল্লা, হারুন ও ফারুক গোলদারের নেতৃত্বে গত ১১ সেপ্টেম্বর ইলিয়াছের ভোগদখলীয় সম্পতিতে থাকা বসতঘর ভাংচুর, লুটপাট, হামলা ও অবশেষে উচ্ছেদের মত ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ ঘটনার ভিডিও এবং স্থীর চিত্র সোস্যাল মিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে প্রচার হয়। ইলিয়াছ চাকুরীর সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করায় ইলিয়াছের ভাই আব্বাস বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করে। ঘটনার ৭দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ মামলা রুজু না করায় ইলিয়াছের পরিবার গত ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে চাদাবাজীর মামলা দায়ের করেন। এ সংবাদ পেয়ে ফয়জুল্লাহ গতকাল বুধবার তার স্ত্রীকে বাদী করে ইলিয়াছকে ১নং আসামী করে ১১জনের নামে আদালতে একটি মারামারি, লুটপাঠের মামলা করেন। আদালত মামলাটি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ওসি বোরহানউদ্দিনকে নির্দেশ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে ইলিয়াছ বলেন, একজন স্বীকৃত রাজাকারের ছেলে আমার নিকট চাদা দাবী করে না পেয়ে আমার বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে বসতঘরটিকে উচ্ছেদ করে এমনকি আমি ঢাকায় থাকায় আমার পরিবারের লোকজন বাধা দিলে তাদেরকে মারধর করে। থানা পুলিশ এ ঘটনায় মামলা না নেওয়ায় আদালতে স্বরনাপন্ন হই। বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য কুচক্রিমহলের ইন্ধনে উল্টো আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে ১০ দিন পর আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। আমি ঢাকা থাকা সত্বেও আমাকে অভিযুক্ত করা হয় যা খুবই দূঃখ জনক।

প্রকৃত ঘটনায় যে থানা পুলিশ মামলা নেয়নি সেই পুলিশ আবার মিথ্যা মামলার তদন্ত রির্পোট নিয়ে উদ্ধেগ প্রকাশ করে মামলাটি থানা পুলিশ নয় অন্য যে কোন সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি আস্থা রেখে অনুরোধ জানান।

অন্যদিকে ইলিয়াসের পিতা মাওলানা মফিজুল ইসলাম বলেন, ফয়জুল্লাহ ও তার লোকজন প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বলে অন্যথায় আমাদেরকে একাধীক মিথ্যা মামলা সহ প্রাননাশের হুমকি দেওয়ায় বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফয়জুল্লাহ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন মিয়া জানান, এ বিষয়ে উভয়পক্ষ সমঝোতা হওয়ার কথা কিন্তুু আদালতে গিয়েছে এটা জানা নাই। আদালত প্রতিবেদন চাইলে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top
error: Content is protected !!