মোংলা সমুদ্র বন্দরের ৭১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

received_4642457592514773.jpeg

মোংলা প্রতিনিধি: আজ মোংলা সমুদ্র বন্দরের ৭১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। নানা উৎসব উদ্দিপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এ দিনটি পালন করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯ টায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দ্যেগে শোভা যাত্রা বের হয় বন্দর এলাকায়।
এ সময় শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠা বাষির্কীর উদ্বোধন করেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মাদ মুসা। পরে বন্দর ভবন চত্বরে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মাদ মুসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব মোহাম্মাদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর থাকার কথা থাকরেও নিতি ছিলেন এ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত। তবে বন্দর ছাড়াও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সরকারে উচ্চ পদস্থ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ অনুষ্ঠানে বন্দরের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও সম্ভাবনার নানা বিষয় উঠে আসো আমন্ত্রিত অতিথি শিপ ও বার্থ অপারেটর এ্যাসোসিয়েমন’র সভাপতি সৈয়দ জাদি হোসেন, সাইফ পোর্ট এর চেয়ারম্যান তরফদার রুহুল আমিন, ইনারবার ড্রেজিংয়ের কনসালটেন্ট আইনুল কামালসহ বন্দর ব্যবহারকারীদের বক্তব্য রাখেন।
এসময় বন্দর চেয়ারম্যান জানান, গত ৫ মাসে ৩৮৮টি বানিজ্যিক জাহাজ, সাড়ে ৮ হাজার গাড়ী, ৪৯ লক্ষ কার্গোতে পন্য হ্যান্ডেলিং করা হয়। এছাড়া সরকারের মেঘা প্রকল্প, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রুপপুর পারমানবিক কেন্দ্রে ও মেট্ট্রোরেল সরঞ্জামাদী বোঝাই জাহাজ এ বন্দর দিয়ে খালাস হয়েছে। বানিজ্যিক জাহাজ ও সরকারের উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে গত বছরের রেকর্ড অতিক্রম করতে সক্ষম হবো বলে জানায় তিনি।
এ অনুষ্ঠানে বন্দর ব্যবহারকারী ও স্ববর্চ্ছ পণ্য আমাদানী-রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান, শিপিং এজেন্ট, ইষ্টিভিডরস ও বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্টদের সম্মামনা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া বন্দর উন্নয়নে গুরুত্ব পূর্ন অবদান রাখায় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও সম্মামনা প্রদান করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১৯৫০ সালের এ দিনে পশুর নদীর জয়মনির ঘোলে “দি সিটি অব লিয়নস” নামক প্রথম ব্রিটিশ পতাকাবাহী বানিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। সে সময় চালনা এ্যাংকারেজ পোর্ট নামে মোংলা সমুদ্র বন্দরের যাত্রা শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় নানা সমস্যা মোকাবেলা করে পণ্য আমাদানী রফতানি ও রাজস্ব আয়ের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে আসছে মোংলা সমুদ্র বন্দর।
বক্তরা তাদের বক্তব্যে বলেন, এ বন্দরকে সম্পুর্নভাবে সক্ষমতা অর্জন করতে হলে সবার আগে চ্যানেল ড্রেজিং সচাল রাখতে হবে। আউটারবার ড্রেজিং হওয়ার পরেও সাড়ে ৯ মিটারে জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করতে পারছেনা, মেন্টেনেন্স ড্রেজিং অব্যাহত রাখতে হবে।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top
error: Content is protected !!