খুলনায় অপহৃত কলেজ ছাত্রকে মুক্তিপনের দাবিতে হত্যা

received_867930777418976.jpeg

নিজস্ব সংবাদদাতা: খুলনার পাইকগাছায় অপহৃত কলেজ ছাত্রকে মুক্তিপনের দাবিতে হত্যার ঘটনা ঘ‌টে‌ছে।  নিহত আমিনুর রহমান (২০) না‌মের ওই কলেজ পড়ুয়া ছাত্রকে হত্যার পর নদী‌তে লাশ ফে‌লে দেয়ার কথা স্বীকার ক‌রে‌ছে গ্রেফতার হওয়া অাসা‌মি।  উপজেলার আগড়ঘাটা কপোতাক্ষ নদের তীরে নিহতের রক্ত পাওয়া গেলেও লাশ পাওয়া যায়নি। মুক্তিপনের টাকা আদায়কালে অপহরণ চক্রের একজন ফয়সাল নামের এক যুবককে আজ সোমবার বিকেলে জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছে।

নিহত আমিনুর উপজেলার কপিলমুনির শ্যামনগর গ্রামের ছুরমান গাজীর ছেলে ও কপিলমুনি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আটককৃত ফয়সাল সরকার পাইকগাছার গদাইপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল রবিবার রাত ৯ টার দিকে আগড়ঘাটা বাজার থেকে ৪/৫ জনের একটি চক্র আমিনুর রহমানকে অপহরণ করে। রাত ১০টার দিকে তাকে খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দেয় বলে আটক ফয়সাল পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশ রক্তের আলামত শনাক্ত করেন বলে ওসি জিয়াউর রহমান জানান।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল রবিবার রাত ৯ টার দিকে আগড়ঘাটা বাজার থেকে ৪/৫ জনের একটি চক্র আমিনুর রহমানকে অপহরণ করে। রাত ১০টার দিকে তাকে খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দেয় বলে আটক ফয়সাল পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশ রক্তের আলামত শনাক্ত করেন বলে ওসি জিয়াউর রহমান জানান।তিনি জানিয়েছেন, অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আমিনুরের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার পিতা ছুরমান গাজীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। যা পাইকগাছা ব্রীজের নীচে রাখতে বলে। কিছু টাকাও সেখানে রাখা হয়। ওই স্থান থেকে সোমবার দুপুর ১টার দিকে টাকা নিয়ে চলে আসার সময় চারপাশে মোতায়ন করা লোকেরা অপহরণনকারী ফয়সাল সরদারকে আটক করে পুলিশে দেয়। সে নিজেকে সেনাবাহিনীর অফিসার পরিচয় দেয়। তার সাথে আরও ৪/৫ জন রয়েছে বলে অপহৃতের পিতা জানিয়েছেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপহৃত আমিনুলের সন্ধান মেলেনি।

সন্দিগ্ধ ঘাতক ফয়সাল সরদারের স্বীকারোক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশের সূত্র জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ আগে নিহত আমিনুর রহমান ও ঘাতক ফয়সাল সরদারের মধ্যে পরিচয় হয়। ফয়সাল সরদারের নিকটে তার প্রেমিকা আবদার করেছিলেন একটি মোটরসাইকেল কেনার জন্য। এ টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি আমিনুর রহমানকে অপহরণ করে। পরবর্তীতে আমিনুরের বাবা ছুরমান গাজীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ওই টাকা পাইকগাছা ব্রীজের নিচে রাখতে বলা হয়। এদিকে, রাতে টাকা না পেয়ে আমিনুর রহমানকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। পরে পাইকগাছা ব্রীজের নিচ থেকে টাকা নিতে এলে তাকে এলাকার লোকেরা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

  1. ওসি জিয়াউর রহমান জানান, ফয়সাল সরকারকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। নিহত আমিনুরে লাশ উদ্ধারের চেষ্টা করছি। আটককৃত ফয়সাল সরদার স্বীকার করেছে- যে আমিনুরকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে তারা।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top