খুলনাসহ দেশের ৮টি জেলায় হাই-টেক পার্ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

hi-tech-2201091532.jpg

প্রতিদিন ডেস্ক: খুলনাসহ দেশের ৮ জেলায় ৮টি স্টিল স্ট্রাকচার বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস বিল্ডিং নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বৈঠকের বিস্তারিত সাংবাদিকদের তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আরেফিন।

সূত্র জানায়, প্রকল্পের অন্তর্গত দরপত্র প্যাকেজ ডব্লিউডি-এ‘র আওতায় রংপুর, নাটোর, জামালপুর, ময়মনসিংহ এবং দরপত্র প্যাকেজ ডব্লিউডি-বি‘র আওতায় ঢাকা, খুলনা, গোপালগঞ্জ ও বরিশাল জেলায় এসব হাই-টেক পার্ক স্থাপন করা হবে।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ৮টি জেলায় ৮টি স্টিলস্ট্রাকচার বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস বিল্ডিং নির্মাণের পূর্ত কাজ ভারতের লারসেন অ্যান্ড টাব্রো লিমিটেডের কাছ থেকে এক হাজার ২০৫ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ২২১ টাকার একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আট জেলায় হাইটেক পার্কের জন্য ঠিকাদার নিয়োগে পাঁচ বছর বিলম্ব করা হয়েছে। আগে বিভিন্ন কারণে বিলম্বিত হয়েছে এবং সেখানে কিছু কাজ আমরা শুরু করেছি। বাকিগুলো করার জন্য আজ আমরা অনুমোদন দিয়েছি। বিভিন্ন কারণে এটি বিলম্ব হয়েছে। ভারত অবশ্যই টাকা দেবে। লারসেন অ্যান্ড টাব্রো নামকরা একটি কোম্পানি। আমার মনে হয় এবার এই প্রকল্পটি নিয়ে এগুতে পারবো।

এ সময় অতিরিক্ত সচিব বলেন, অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য একটি এবং ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য ১৩টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। ক্রয় প্রস্তাবগুলোর মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ৭টি, বিদ্যুৎ বিভাগের ৩টি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ২টি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ১টি প্রস্তাবনা ছিল। ক্রয় কমিটির অনুমোদিত ১৩টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১০ হাজার ৭৯৪ কোটি ৮৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৮ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি হতে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৫৮৯ কোটি ৬৬ লাখ ২৬ হাজার ৭৭ টাকা এবং ভারত থেকে ঋণ ১,২০৫ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ২২১ টাকা।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top