খুলনার বহুল আলোচিত সেই নিখাঁজ মায়ের লাশ ময়মনসিংহে উদ্ধার!

55555.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক//
খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশার উত্তর বানিকপাড়ার বাসিন্দা বহুল আলোচিত রহিমা খাতুন (৫২) নিখোঁজ হওয়ার ২৭দিন পর লাশ উদ্ধার হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানা পুলিশ গত ১০সেপ্টেম্বর বস্তাবন্দি অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করেছে। পরে তার পরিচয় সণাক্ত না হওয়ায় পরনের কাপড়-চোপড় সংরক্ষিত রেখে লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে।

ফুলপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন খুলনা প্রতিদিনকে জানান, ফুলপুর থানার বৌলা এলাকার একটি পারিবারিক কবরস্থানের ঝোপের মধ্যে থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে পরিচয় সণাক্ত না হওয়ায় আঞ্জুমান মফিদুলের মাধ্যমে লাশটি দাফন করা হয়েছে। তবে তার পরিহিত কাপড়-চোপড় সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। তবে লাশটি খুলনার রহিমা বেগমের কিনা তা নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।

রহিমা বেগমের মেয়ে মরিয়ম মান্নান তার ফেসবুক একাউন্টে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে পোস্ট দিয়ে মায়ের লাশ পেয়েছি বলে জানান।

রহিমা বেগমের ছেলে মোঃ সাদি মুঠোফোনে খুলনা প্রতিদিনকে বলেন, এখনও নিশ্চিত নই,খবর পেয়ে ময়মনসিংহে যাচ্ছি দোয়া করেন প্লিজ।
গত ২৭ আগস্ট (শনিবার) রাত সাড়ে ১০টার দিকে টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে বাসা থেকে বের হন রহিমা বেগম। এরপর তিনি আর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশার উত্তর বানিকপাড়ার বাসায় ফেরেননি। নিখোঁজ মায়ের সন্ধানে গত ৩১ আগস্ট সন্তানরা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রহিমা খাতুনের মেয়ে মরিয়ম খাতুন বলেছিলেন, “প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমাদের জায়গা-জমি নিয়ে মামলা আছে। ওই মামলার বাদী ছিলেন আমার মা। নিখোঁজের “কয়েকদিন আগে আমাদের বাড়িতে হামলা হয়। হামলায় ব্যাপক ভাঙচুর ও তাণ্ডব চলে। এ সময় দুর্বৃত্তরা আমার মা ও এক বোনকে মারধর করে। এ ঘটনায় আমার মা বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেন। এরপর ঘটনার দিন নিখাঁজ হন রহিমা বেগম। ঘটনাটি খুলনাসহ সারা দেশে ব্যপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.

scroll to top
error: Content is protected !!